সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২

চাটখিলে বসতভিটা ও জমি দখলের অভিযোগ, আইনগত ব্যবস্থা চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ ভুক্তভোগী

নোয়াখালী এক্সপ্রেস, নোয়াখালী এক্সপ্রেস
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ৭:২০ অপরাহ্ন
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৯:৪৫ পূর্বাহ্ন
20251213

নিজস্ব প্রতিবেদক :
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় চলমান দেওয়ানি মামলা থাকা সত্ত্বেও জোরপূর্বক বসতভিটা ও ভোগদখলীয় জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী খোরশেদ আলম (খুরশিদ আলম) সহকারী পুলিশ সুপার (চাটখিল–সোনাইমুড়ী সার্কেল) ও চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগকারী খোরশেদ আলম উপজেলার নোয়াখলা গ্রামের বাসিন্দা। লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, তিনি একজন সাধারণ খেটে খাওয়া দিনমজুর মানুষ। অপরদিকে অভিযুক্তরা প্রভাবশালী ও ভূমিদস্যু প্রকৃতির হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তার মালিকীয় ও ভোগদখলীয় জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে আসছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তিনি নোয়াখালী সদর সিনিয়র সিভিল জজ আদালতে দেওয়ানি মামলা (দেং-২১৪/২০১৯) দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। আদালতের বিভিন্ন আদেশ ও আপিল প্রক্রিয়া চলমান থাকা অবস্থায় অভিযুক্তরা মিথ্যা তথ্য প্রচার করে মামলা খারিজ হয়েছে দাবি করে গত ১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে তার ওয়ারিশী বসতঘরের সামনে একচালা ভাঙচুর করে, ব্যবহৃত কল ও গাছপালা কেটে ফেলে এবং টিন দিয়ে বেড়া দিয়ে জোরপূর্বক জমিতে প্রবেশের চেষ্টা চালায়।

ভুক্তভোগীর দাবি, অভিযুক্তদের এমন কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় পড়বেন এবং অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত না হলে ন্যায়বিচার পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

লিখিত আবেদনে অভিযুক্ত হিসেবে নুর আলম, মো. ফারুক পাটোয়ারী, দিদার হোসেন পাটোয়ারী, মোরশেদ, আবদুল মোতালেবসহ আরও কয়েকজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। সবাই নোয়াখলা গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

অভিযোগকারী প্রশাসনের কাছে ঘটনার সঠিক তদন্ত করে ভূমি দখলচেষ্টা, ভাঙচুর ও হুমকির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত এস আই অজয় দেবশীল জানান, বিষয়টি  আদালতের অধীব রয়েছে যতদুর খোঁজখবর  পেয়েছি দুই পক্ষের দোষ রয়েছে।